"সবাই চলে গেছে শুধু একটি মাধবী তুমি......................................."
ফুরিয়ে গেছে চরকার সুতো---------
বোনা হয়নি রুপকথার সেই নকশীচাঁদর।
মাঝরাতে আচমকা আকাশের জানালা খুলে গেলে
একটি নক্ষত্র খসে সোজা আমার স্বপ্নের ভেতরে ঢুকে পড়ে
'খসে পড়া তারার কাছে কিছু চাইলে ইচ্ছা -পূরণ হয়'
----------------তুই বলেছিলি।
তারা খসা-------------
তুই।
কিছুতেই মনে পড়েনা কিযে চাই।
গুলমোহরের লতানো ঝোপে চাঁদ নেমে এলে
এক বুক চাঁদনীতে গলে গলে যায়
সারাদিনের জমানো ক্রোধ এবং বিষন্নতা।
কেমন অনায়াসে ভুলে যাই---------
মাত্র তিনটি কড়ির বিনিময়ে বিকিয়ে যাওয়া
সবুজ-দ্বীপের অনুতাপ।
সময়-শেষের-সংকেত বেজে গেলে
ড্যান্স-ফ্লোরের আলো-আঁধারিতে উদ্দাম-নৃত্যরতা
সিন্ডারেলা সহসা উধাও।
দীর্ঘ যুগ--------
সোনালী তরলে কি খুঁজিস তুই
ফেলে যাওয়া এক পাটি জুতো?
রবিবার, ২৯ আগস্ট, ২০১০
রবিবার, ৮ আগস্ট, ২০১০
zযাওয়া-আসার একই গলি
দূর থেকে সুদূরে মিলায়
অশ্বখুরধ্বণি-হ্রেষা।সে এসে ফিরে গেছে।
পাইনের বনে বাজে তীব্র ভায়োলীন।
বেহালার সুরে কারো মন পুড়েছিল।
তুমি নদী ভালবাসনা
তবু জলের নুড়িতে তার নুপুরের ভাঁজ খুলেছিলে।
নীলপদ্মের পাপড়িতে সে রেখেছে তার
জামার বোতামে আটকে থাকা কষ্টের স্বেদ;
মাঝনদীতে ভেসে চলা নৌকার সাদা পালে
শিকস্তির দীর্ঘশ্বাসের হাহাকার।
গলুইয়ের বঁড়শীতে বাঁধা চারের ছলা-কলার কথা জেনে গেছে মাছ।
এমন ভাবি---
তোমার গলির আশপাশ দিয়ে কখনো যাবোনা
আমার ঘরেও আসা-যাওয়ার একই যে পথ!
একটাই গলি.............................................।
অশ্বখুরধ্বণি-হ্রেষা।সে এসে ফিরে গেছে।
পাইনের বনে বাজে তীব্র ভায়োলীন।
বেহালার সুরে কারো মন পুড়েছিল।
তুমি নদী ভালবাসনা
তবু জলের নুড়িতে তার নুপুরের ভাঁজ খুলেছিলে।
নীলপদ্মের পাপড়িতে সে রেখেছে তার
জামার বোতামে আটকে থাকা কষ্টের স্বেদ;
মাঝনদীতে ভেসে চলা নৌকার সাদা পালে
শিকস্তির দীর্ঘশ্বাসের হাহাকার।
গলুইয়ের বঁড়শীতে বাঁধা চারের ছলা-কলার কথা জেনে গেছে মাছ।
এমন ভাবি---
তোমার গলির আশপাশ দিয়ে কখনো যাবোনা
আমার ঘরেও আসা-যাওয়ার একই যে পথ!
একটাই গলি.............................................।
শনিবার, ৭ আগস্ট, ২০১০
উপন্যাসের শেষ ক'টি পৃষ্ঠা
ক্রমশঃ স্তব্দতার দিকে গুটিয়ে গেছে কথার পিঠে উঠে আসা কথাগুলো
অনুচ্চারের বর্ণমালায় সাজানো ডিঙ্গা ভেসে গেছে মেঘের ঢেউয়ের ভেতরে।
পাখীর চঞ্চুতে লেগে থাকা বিষ
অথবা
স্বপ্নের ভেতরে হুটহাট কালোবেড়ালের আনাগোনার কথা কেউ কেউ জানে।
কিছুতে মেলেনা গনিতের ছক
পৌনঃপুনিক শূন্যের ভারে হিসেবের খাতা ভারী হয়ে ওঠে।
উপন্যাসের পরিণতিটা জানা গেলনা-----
শেষ ক'টি পাতা ছেঁড়া ছিল।
অনুচ্চারের বর্ণমালায় সাজানো ডিঙ্গা ভেসে গেছে মেঘের ঢেউয়ের ভেতরে।
পাখীর চঞ্চুতে লেগে থাকা বিষ
অথবা
স্বপ্নের ভেতরে হুটহাট কালোবেড়ালের আনাগোনার কথা কেউ কেউ জানে।
কিছুতে মেলেনা গনিতের ছক
পৌনঃপুনিক শূন্যের ভারে হিসেবের খাতা ভারী হয়ে ওঠে।
উপন্যাসের পরিণতিটা জানা গেলনা-----
শেষ ক'টি পাতা ছেঁড়া ছিল।
শনিবার, ১৭ জুলাই, ২০১০
শীতল পাথরে উষ্ণ হাত
শরাব হারাম।কসম--আর কোনদিন শরাব ছোঁবনা।
আঁচড়ে ভেঙ্গে ফেলি অমৃত-পেয়ালা;
আমাকে দেখে হাসে কাঁচের চূর্ণ টুকরোগুলো।
উপেক্ষা করে হিতৈষী ভ্রুকুটি
কত কি যে জড়ো করি কাকের বাসার মতো
ধুলো-বালি,ছাইপাশ
যাপিত জীবনের ছন্দে বিঘ্ন-বিসংবাদ।
একবার দুরপাল্লার বাসে যেতে যেতে
সুনসান মাঠ্রের পাশে প্রাচীন বটের ঝুরিতে বসে থাকা
একাকী শালিখের হলুদ ঠোঁটের নিঃসঙ্গতা
জামার পকেটে তুলে নিয়েছিলাম
জমা আছে
রংগীন মার্বেলের টুকরো
এক মুঠো শুকনো ঘাস।
সন্ধ্যারতির ঘন্টার রেশ থেমে গেলে
ঝিঁঝির ধ্রুপদ তালে জোনাকীরা নেচে নেচে ওঠে।
কে রাখে উষ্ণ হাত শীতল পাথরে?
কে বাজায় আগুনের বাঁশী?
জীবন-যাপনের ছন্দ ভেঙ্গে ফেলে
মাদলের নেশা।মহুয়ার বিষ।
আঁচড়ে ভেঙ্গে ফেলি অমৃত-পেয়ালা;
আমাকে দেখে হাসে কাঁচের চূর্ণ টুকরোগুলো।
উপেক্ষা করে হিতৈষী ভ্রুকুটি
কত কি যে জড়ো করি কাকের বাসার মতো
ধুলো-বালি,ছাইপাশ
যাপিত জীবনের ছন্দে বিঘ্ন-বিসংবাদ।
একবার দুরপাল্লার বাসে যেতে যেতে
সুনসান মাঠ্রের পাশে প্রাচীন বটের ঝুরিতে বসে থাকা
একাকী শালিখের হলুদ ঠোঁটের নিঃসঙ্গতা
জামার পকেটে তুলে নিয়েছিলাম
জমা আছে
রংগীন মার্বেলের টুকরো
এক মুঠো শুকনো ঘাস।
সন্ধ্যারতির ঘন্টার রেশ থেমে গেলে
ঝিঁঝির ধ্রুপদ তালে জোনাকীরা নেচে নেচে ওঠে।
কে রাখে উষ্ণ হাত শীতল পাথরে?
কে বাজায় আগুনের বাঁশী?
জীবন-যাপনের ছন্দ ভেঙ্গে ফেলে
মাদলের নেশা।মহুয়ার বিষ।
সোমবার, ৫ জুলাই, ২০১০
জলের ফোটায় পরমায়ু
পাঠোদ্ধারে মগ্ন থাকি জলের মুকুর।
পুরাকালের এক ছবি।
প্রাচীন পুঁথির টানে এখানেই বারবার ফিরে আসি
স্পর্শ করি কালকুট
ভেঙ্গে ফেলি নদীর মৌনতা ।
ঘোর। কেবলি জলের ঘোর।
প্রগাঢ় ঘোরের নিগড়ে অর্ধেক জীবন বাঁধা পড়ে যায়
বাকী আর কতটুকু ফেরা?ভগ্নাংশের কতটা নিজস্ব?
বিন্দু বিন্দু নীরে ভেজা জীবন যাপনের খাতা।দীর্ণ-জীর্ণ।
কি ভীষণ আগুন-স্বভাব
অভিযোগের উদ্ধত আঙ্গুলগুলো।
শত অকর্তব্যের দায়
কার তুমি
ঘরের?ঘোরের?
প্রতিদিন একটি পালক পুড়ে
ভস্ম-স্তুপের ব্যাপ্তি বেড়ে যায়।
জলবিন্দুতে নিষিক্ত বিষ।
পরমায়ু জলের ফোটায়।
পুরাকালের এক ছবি।
প্রাচীন পুঁথির টানে এখানেই বারবার ফিরে আসি
স্পর্শ করি কালকুট
ভেঙ্গে ফেলি নদীর মৌনতা ।
ঘোর। কেবলি জলের ঘোর।
প্রগাঢ় ঘোরের নিগড়ে অর্ধেক জীবন বাঁধা পড়ে যায়
বাকী আর কতটুকু ফেরা?ভগ্নাংশের কতটা নিজস্ব?
বিন্দু বিন্দু নীরে ভেজা জীবন যাপনের খাতা।দীর্ণ-জীর্ণ।
কি ভীষণ আগুন-স্বভাব
অভিযোগের উদ্ধত আঙ্গুলগুলো।
শত অকর্তব্যের দায়
কার তুমি
ঘরের?ঘোরের?
প্রতিদিন একটি পালক পুড়ে
ভস্ম-স্তুপের ব্যাপ্তি বেড়ে যায়।
জলবিন্দুতে নিষিক্ত বিষ।
পরমায়ু জলের ফোটায়।
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০০৯
দিগঙ্গনার ঘর
লিখে যাচ্ছি নিঃসঙ্গতা আর খুলে যাচ্ছে
একটি বাদামী-দরোজা........................
জিতে যচ্ছে
জিতে যাচ্ছে প্রবল-প্রতাপ অবসাদ;
অসহ-দহনে ক্ষয়ে যাচ্ছে আয়ুর সোনালী ডানাগুলো
কোথায় পালাবো?
কোথায় ফিরবো?
যুদ্ধ-বিধ্বস্ত নগরীতে ঠিকানা দিক্-চিহ্ন হীন।
অথবা
কোথাও কি কখনো আদৌ কোন ঘর ছিল?
দূরাগত মিহি সুরে বেজে ওঠা বীণ;
স্পর্শাতীত দিগন্ত-বলয়;
দিগন্ত-বালিকার কোন ঘর থাকেনা।
একটি বাদামী-দরোজা........................
জিতে যচ্ছে
জিতে যাচ্ছে প্রবল-প্রতাপ অবসাদ;
অসহ-দহনে ক্ষয়ে যাচ্ছে আয়ুর সোনালী ডানাগুলো
কোথায় পালাবো?
কোথায় ফিরবো?
যুদ্ধ-বিধ্বস্ত নগরীতে ঠিকানা দিক্-চিহ্ন হীন।
অথবা
কোথাও কি কখনো আদৌ কোন ঘর ছিল?
দূরাগত মিহি সুরে বেজে ওঠা বীণ;
স্পর্শাতীত দিগন্ত-বলয়;
দিগন্ত-বালিকার কোন ঘর থাকেনা।
চাইনা বৃষ্টি-----আগুন চাই
দিওনা বৃষ্টি ।
নিভতে চাইনা
গাইছি আগুনের স্তব।সাগ্নিক।
শুধু শুধু জড়ো করি আসর-ভাঙ্গা জলসাঘরের দীর্ঘশ্বাসগুলো
যাবার নিয়মে চলে যায় রূপকথা বলা সবুজ টিয়াটি।তার
অনিচ্ছার একটি পালক শুধু পড়ে থাকে।পুড়াই।
মুছে ফেলি পেলব ঘাসের সবুজ-মমতা।
মুঠোতে মেখেছি জ্যোৎস্না আর
চাঁদের গরলটুকু নিঃশেষে করেছি পান;
দেখেছি হৃৎপিন্ডের নীল রং ।তীব্র।
ভাল আছি।
ঝিনুকের খোলের ভেতরে গুটানোর ভব্যতাটুকু রপ্ত হয়ে গেলে
সবাই ভালই থাকে।এভাবেই।
নিভতে চাইনা
গাইছি আগুনের স্তব।সাগ্নিক।
শুধু শুধু জড়ো করি আসর-ভাঙ্গা জলসাঘরের দীর্ঘশ্বাসগুলো
যাবার নিয়মে চলে যায় রূপকথা বলা সবুজ টিয়াটি।তার
অনিচ্ছার একটি পালক শুধু পড়ে থাকে।পুড়াই।
মুছে ফেলি পেলব ঘাসের সবুজ-মমতা।
মুঠোতে মেখেছি জ্যোৎস্না আর
চাঁদের গরলটুকু নিঃশেষে করেছি পান;
দেখেছি হৃৎপিন্ডের নীল রং ।তীব্র।
ভাল আছি।
ঝিনুকের খোলের ভেতরে গুটানোর ভব্যতাটুকু রপ্ত হয়ে গেলে
সবাই ভালই থাকে।এভাবেই।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)